infonatunsomoy@gmail.com শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

তিন মন্ত্রীর পরিদর্শন

শাহজালালের আদলে হচ্ছে বগুড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৮ মে ২০২৬ ০৯:০৫ এএম

সংগৃহিত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আদলে হচ্ছে বগুড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের পর এটি হবে দেশের পঞ্চম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। নির্মিতব্য এ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থাকছে দুটি দীর্ঘ রানওয়ে, আন্তর্জাতিক কার্গো সুবিধা, বৃহত্তর বিমানঘাঁটি এবং অত্যাধুনিক ফ্লাইং একাডেমি। বিমানবন্দরে জন

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়া বিমানবন্দর সরেজমিন পরিদর্শন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাদের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বগুড়া পরিদর্শনে এসেছি। উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করা হবে। মন্ত্রণালয়ের এই বৃহৎ পরিকল্পনার যাত্রা বগুড়া দিয়েই শুরু হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলের কৃষি, শিল্প, পর্যটন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে বগুড়াকে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের পাশাপাশি ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ অবতরণ করতে পারে। একই সঙ্গে কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হবে, যা উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বগুড়া বিমানবন্দরকে শুধু একটি বাণিজ্যিক বিমানবন্দর নয়, বরং উত্তরাঞ্চলের পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এখানে আন্তর্জাতিক মানের ফ্লাইং একাডেমি স্থাপন করা হবে, যেখানে দেশীয় ও বিদেশি পাইলট প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর জন্য সম্প্রসারিত বিমানঘাঁটি নির্মাণের চিন্তাও রয়েছে।

বর্তমানে বগুড়া বিমানবন্দর একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য উড্ডয়ন ও অবতরণ উপযোগী বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রায় ১০৯ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই বিমানবন্দরে রয়েছে ৪ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ ও ১০০ ফুট প্রশস্ত রানওয়ে, একটি চারতলা টার্মিনাল ভবন, দোতলা ফায়ার স্টেশন, পাওয়ার হাউস এবং সীমিত নিরাপত্তা অবকাঠামো। তবে রানওয়ে লাইটিং ব্যবস্থা না থাকায় রাতে উড়োজাহাজ ওঠানামা সম্ভব হয় না।

সরকারের মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, বিমানবন্দরটি পর্যায়ক্রমে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে।

প্রথম ধাপে প্রায় ৪০০ একর জমির ওপর ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ ও ১৫০ ফুট প্রশস্ত নতুন রানওয়ে নির্মাণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে সেটি ১০ হাজার ৫০০ ফুটে সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি দ্বিতীয় একটি রানওয়ের পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে, যেন একই সময়ে একাধিক উড়োজাহাজ পরিচালনা সম্ভব হয়।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার একর জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এর মধ্যে বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি ও বসতবাড়ি অধিগ্রহণের আওতায় পড়তে পারে। ফলে স্থানীয়ভাবে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছে।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের কারিগরি প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) পরামর্শক হিসেবে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, মহাপরিকল্পনা, রানওয়ে পেভমেন্ট ডিজাইন এবং আধুনিক টার্মিনাল ভবনের নকশা প্রণয়ন করবে বুয়েট।

বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গতকাল বগুড়া বিমানবন্দর এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন বিমানমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তারা প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে বিমানবন্দরের রানওয়ে ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ ও ১২০ ফুট প্রশস্ত করা হবে। ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রেখে পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেন প্রয়োজনে দ্বিতীয় একটি রানওয়ে নির্মাণ করা যায়।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, এই বিমানবন্দরে একটি বৃহৎ বিমানঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি এখানে একটি ফ্লাইং একাডেমিও গড়ে তোলা হবে, যেখানে পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় তিন হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করতে হতে পারে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া হবে।

নতুনসময়/ আইএ/

সম্পর্কিত খবর


তিন মন্ত্রীর পরিদর্শন

শাহজালালের আদলে হচ্ছে বগুড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ০৮ মে ২০২৬ ০৯:০৫ এএম

সংগৃহিত

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আদলে হচ্ছে বগুড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট ওসমানী বিমানবন্দর, কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের পর এটি হবে দেশের পঞ্চম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। নির্মিতব্য এ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে থাকছে দুটি দীর্ঘ রানওয়ে, আন্তর্জাতিক কার্গো সুবিধা, বৃহত্তর বিমানঘাঁটি এবং অত্যাধুনিক ফ্লাইং একাডেমি। বিমানবন্দরে জন

গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বগুড়া বিমানবন্দর সরেজমিন পরিদর্শন করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাদের সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার ও সিভিল এভিয়েশনের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক।

পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা বগুড়া পরিদর্শনে এসেছি। উত্তরাঞ্চলের সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে বগুড়াকে দেশের অন্যতম এভিয়েশন হাবে রূপান্তর করা হবে। মন্ত্রণালয়ের এই বৃহৎ পরিকল্পনার যাত্রা বগুড়া দিয়েই শুরু হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উত্তরাঞ্চলের কৃষি, শিল্প, পর্যটন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে বগুড়াকে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, বগুড়ায় আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর নির্মাণের পাশাপাশি ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ রানওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, যেন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক উড়োজাহাজ অবতরণ করতে পারে। একই সঙ্গে কার্গো ফ্যাসিলিটি স্থাপন করা হবে, যা উত্তরাঞ্চলের কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও রপ্তানি বাণিজ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বগুড়া বিমানবন্দরকে শুধু একটি বাণিজ্যিক বিমানবন্দর নয়, বরং উত্তরাঞ্চলের পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন কমপ্লেক্স হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এখানে আন্তর্জাতিক মানের ফ্লাইং একাডেমি স্থাপন করা হবে, যেখানে দেশীয় ও বিদেশি পাইলট প্রশিক্ষণের সুযোগ থাকবে। একই সঙ্গে বিমানবাহিনীর জন্য সম্প্রসারিত বিমানঘাঁটি নির্মাণের চিন্তাও রয়েছে।

বর্তমানে বগুড়া বিমানবন্দর একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য উড্ডয়ন ও অবতরণ উপযোগী বিমানঘাঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রায় ১০৯ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত এই বিমানবন্দরে রয়েছে ৪ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ ও ১০০ ফুট প্রশস্ত রানওয়ে, একটি চারতলা টার্মিনাল ভবন, দোতলা ফায়ার স্টেশন, পাওয়ার হাউস এবং সীমিত নিরাপত্তা অবকাঠামো। তবে রানওয়ে লাইটিং ব্যবস্থা না থাকায় রাতে উড়োজাহাজ ওঠানামা সম্ভব হয় না।

সরকারের মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী, বিমানবন্দরটি পর্যায়ক্রমে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে।

প্রথম ধাপে প্রায় ৪০০ একর জমির ওপর ৯ হাজার ফুট দীর্ঘ ও ১৫০ ফুট প্রশস্ত নতুন রানওয়ে নির্মাণ করা হবে। পরবর্তী সময়ে সেটি ১০ হাজার ৫০০ ফুটে সম্প্রসারণ করা হবে। পাশাপাশি দ্বিতীয় একটি রানওয়ের পরিকল্পনাও রাখা হয়েছে, যেন একই সময়ে একাধিক উড়োজাহাজ পরিচালনা সম্ভব হয়।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নে অতিরিক্ত প্রায় ৩ হাজার একর জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এর মধ্যে বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি ও বসতবাড়ি অধিগ্রহণের আওতায় পড়তে পারে। ফলে স্থানীয়ভাবে কিছু চ্যালেঞ্জ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের যথাযথ পুনর্বাসনের আশ্বাস দিয়েছে।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) প্রকল্পটির বাস্তবায়নকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের কারিগরি প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট) পরামর্শক হিসেবে নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, মহাপরিকল্পনা, রানওয়ে পেভমেন্ট ডিজাইন এবং আধুনিক টার্মিনাল ভবনের নকশা প্রণয়ন করবে বুয়েট।

বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় গতকাল বগুড়া বিমানবন্দর এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করেন বিমানমন্ত্রী ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী। পরিদর্শনকালে তারা প্রকল্প বাস্তবায়নে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে বিমানবন্দরের রানওয়ে ১০ হাজার ৫০০ ফুট দীর্ঘ ও ১২০ ফুট প্রশস্ত করা হবে। ভবিষ্যতে সম্প্রসারণের সুযোগ রেখে পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেন প্রয়োজনে দ্বিতীয় একটি রানওয়ে নির্মাণ করা যায়।

চেয়ারম্যান আরও বলেন, এই বিমানবন্দরে একটি বৃহৎ বিমানঘাঁটি স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি এখানে একটি ফ্লাইং একাডেমিও গড়ে তোলা হবে, যেখানে পাইলটদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় তিন হাজার একর জমি অধিগ্রহণ করতে হতে পারে। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে বাস্তবায়নের দিকে এগিয়ে যাওয়া হবে।

নতুনসময়/ আইএ/

সম্পর্কিত খবর