infonatunsomoy@gmail.com শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
২৫ বৈশাখ ১৪৩৩

কিশোরকে ধরে নিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত: ০৭ মে ২০২৬ ০৮:০৫ এএম

সংগৃহীত ছবি

‎ঠাকুরগাঁওয়ে সালমান ফারসী (১৬) নামে এক কিশোরকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৩ মে) রাতে জেলার সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের বোচাপুকুর ধনীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ‎



‎ভুক্তভোগী সালমান ফারসী জেলা সদরের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি শহরের ইকো কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোচাপুকুর ধনীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলমগীরের মেয়ে সোনালী আক্তারের সঙ্গে সালমানের দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। সেই সূত্র ধরে রোববার সকালে কৌশলে তাকে মেয়ের বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। পরে সালমান সেখানে গেলে পাড়া-প্রতিবেশীরা ছেলে-মেয়েকে একটি ঘরে আটকে রাখেন।

‎অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি ছেলের পরিবারকে না জানিয়ে রাতেই স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জোরপূর্বক তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।


‎তবে এব্যাপারে ভুক্তভোগী সালমান ফারসীকে সঙ্গে কথা বলতে গেলে মেয়ের পরিবারের লোকজন তার সাথে কথা বলতে দেয়নি সাংবাদিকদের।

‎সালমানের বাবা নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে গিয়ে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিবারকে বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানানো হয়নি। আমরা পরে লোকমুখে বিষয়টি জানতে পারি। আমার ছেলে এখনো অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং সে পড়াশোনা করছে। এই বয়সে তার বিয়ে দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অন্যায় কাজ। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

‎অভিযোগের বিষয়ে মেয়ের বাবা আলমগীর বলেন, ছেলে ও মেয়ের মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দুই পরিবারের সম্মান রক্ষার কথা বিবেচনা করে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা কাউকে জোর করিনি। ছেলে তখন আমাদের বাড়িতেই ছিল এবং স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতেই বিয়েটা সম্পন্ন করা হয়।

‎ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মনির হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি, তবে এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত খবর


কিশোরকে ধরে নিয়ে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ


প্রকাশিত: ০৭ মে ২০২৬ ০৮:০৫ এএম

সংগৃহীত ছবি

‎ঠাকুরগাঁওয়ে সালমান ফারসী (১৬) নামে এক কিশোরকে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (৩ মে) রাতে জেলার সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের বোচাপুকুর ধনীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ‎



‎ভুক্তভোগী সালমান ফারসী জেলা সদরের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদ গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি শহরের ইকো কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বোচাপুকুর ধনীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা আলমগীরের মেয়ে সোনালী আক্তারের সঙ্গে সালমানের দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। সেই সূত্র ধরে রোববার সকালে কৌশলে তাকে মেয়ের বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। পরে সালমান সেখানে গেলে পাড়া-প্রতিবেশীরা ছেলে-মেয়েকে একটি ঘরে আটকে রাখেন।

‎অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি ছেলের পরিবারকে না জানিয়ে রাতেই স্থানীয়দের উপস্থিতিতে জোরপূর্বক তাদের বিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।


‎তবে এব্যাপারে ভুক্তভোগী সালমান ফারসীকে সঙ্গে কথা বলতে গেলে মেয়ের পরিবারের লোকজন তার সাথে কথা বলতে দেয়নি সাংবাদিকদের।

‎সালমানের বাবা নজরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে গিয়ে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাদের পরিবারকে বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানানো হয়নি। আমরা পরে লোকমুখে বিষয়টি জানতে পারি। আমার ছেলে এখনো অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং সে পড়াশোনা করছে। এই বয়সে তার বিয়ে দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এটা সম্পূর্ণ বেআইনি ও অন্যায় কাজ। যারা এর সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে আমি আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।

‎অভিযোগের বিষয়ে মেয়ের বাবা আলমগীর বলেন, ছেলে ও মেয়ের মধ্যে আগে থেকেই পরিচয় ও সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দুই পরিবারের সম্মান রক্ষার কথা বিবেচনা করে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা কাউকে জোর করিনি। ছেলে তখন আমাদের বাড়িতেই ছিল এবং স্থানীয়দের মতামতের ভিত্তিতেই বিয়েটা সম্পন্ন করা হয়।

‎ঠাকুরগাঁও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মনির হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমরা শুনেছি, তবে এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পর্কিত খবর