ঢাকা বুধবার, ২২শে মে ২০১৯, ৯ই জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬


সিনিয়র সাংবাদিক শাহ আলমগীরের মৃত্যুতে ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরামের শোক


২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৮:৫৫

আপডেট:
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ১৯:৩৮

ফাইল ছবি

সিনিয়র সাংবাদিক ও প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের (পিআইবি) মহাপরিচালক সাংবাদিক মো. শাহ আলমগীর আর নেই (ইন্না লিল্লালি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। তার মৃত্যুতে গভীর শোক শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরাম। ফোরামের  মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন মুন্না স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সিনিয়র এ সাংবাদিকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মহাসচিব শাহাদাৎ হোসেন মুন্না বলেন, তিনি সাংবাদিকদের অভিভাবকের দ্বায়িত্ব পালন করতেন। পিআইবির মহাপরিচালক হওয়ার পর থেকে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণের ব্যাপারে তার সবগুলো উদ্যোগ ছিল প্রশংসনীয়।
তিনি বলেন, তাঁর বর্ণ্যাঢ্য কর্মজীবন ছিল। সৎ নিষ্ঠাবান হিসেবে তার সুনাম ছিল সর্বদিকে। প্রিয় আলমগীর ভাইয়ের মৃত্যু অনেককে কাঁদাবে। তাঁর অকৃত্রিম প্রাণখোলা হাসি, তাঁর আন্তরিকতা মিস করবে গণমাধ্যম কর্মীরা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরামের তিনি উপদেষ্টা ছিলেন। ক্যাবল টিভি দর্শক ফোরামের পক্ষ থেকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পুরস্কার প্রদানের জুরি বোর্ডের একজন সম্মানিত সদস্য হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন একাধিকবার।


শাহ আলমগীর ২০১৩ সালের ৭ জুলাই পিআইবির মহাপরিচালক হিসেবে যোগ দেন। সরকার ২০১৮ সালের জুলাই মাসে তার চাকরির মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ায়।

উপমহাদেশের প্রথম শিশু-কিশোর পত্রিকা সাপ্তাহিক কিশোর বাংলায় যোগ দেওয়ার মাধ্যমে সাংবাদিকতা শুরু করেন এই সাংবাদিক। এখানে তিনি ১৯৮০ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সহ-সম্পাদক হিসেবে কাজ করেছেন।

এরপর তিনি কাজ করেন দৈনিক জনতা, বাংলার বাণী, আজাদ ও সংবাদ-এ। প্রথম আলো প্রকাশের সময় থেকেই তিনি পত্রিকাটির সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং ১৯৯৮ সালের নভেম্বর মাস থেকে ২০০১ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত যুগ্ম বার্তা-সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

পরে তিনি চ্যানেল আইয়ের প্রধান বার্তা সম্পাদক, একুশে টেলিভিশনে হেড অব নিউজ, যমুনা টেলিভিশনে পরিচালক (বার্তা) এবং মাছরাঙা টেলিভিশনে বার্তা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

শাহ আলমগীর ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ‘কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ সাহিত্য পুরস্কার ২০০৬, ‘চন্দ্রাবতী স্বর্ণপদক ২০০৫ ’, ‘রোটারি ঢাকা সাউথ ভকেশনাল এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ২০০৪’ এবং ‘কুমিল্লা যুব সমিতি অ্যাওয়ার্ড ২০০৪’ পেয়েছেন।

নুতনসময়/আইএ