ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ১৭ই অক্টোবর ২০১৯, ৩রা কার্তিক ১৪২৬

যে কারণে সংলাপের সময় কেড়ে নেওয়া হবে নেতাদের মুঠোফোন


১ নভেম্বর ২০১৮ ১৪:১৭

আপডেট:
১৭ অক্টোবর ২০১৯ ১১:৪৪

জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গঠিত ঐক্যফ্রন্টের আগে ছিল যুক্তফ্রন্ট। বিকল্পধারার প্রেসিডেন্ট ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন ওই জোটে একজন নেতা ছিলেন যিনি দলের মিটিংয়ের সময় নিজের মোবাইল অন করে রাখতেন এবং ওনার মোবাইল থেকে লন্ডনের একটি নম্বরে ফোন দেওয়া হতো। সর্বশেষ যুক্তফ্রন্টের মিটিংয়ে মোবাইল অন করে লন্ডনে কল দিয়ে রাখার বিষয়টি ধরা পড়ে। বিষয়টি নিয়ে অনেক হইচই হয়। পরে বি. চৌধুরী পরবর্তী মিটিংগুলো অংশগ্রহণের আগে সব মোবাইল ফোন রেখে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন।

দুঃখের বিষয় হলেও সত্য যে, ওই নেতা এখন ড. কামালের নেতৃত্বাধীন জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টেও আছেন। গণভবনে অনুষ্ঠেয় আজকের সংলাপে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ওই নেতাও যাচ্ছেন। এমন অবস্থায় আজকের সংলাপের সময় মোবাইল ফোনের বিষয়ে কী হবে তা নিয়ে অনেকের কাছেই প্রশ্ন উঠেছে।

গণভবনে মোবাইল ফোনের বিষয়ে আগে থেকেই নিয়ম বলবৎ আছে। গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে সাক্ষাতের আগে নিরাপত্তারক্ষীদের কাছে মোবাইল রেখে দেওয়া হয়। মোবাইল রেখে একটি টোকেন দেওয়া হয়। সাক্ষাৎ শেষে ফেরার সময় তাদের ফোন ফিরে পান। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার স্বার্থেই এমন কঠোর ব্যবস্থা। তাই স্বভাবই আজ প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপের আগে সবাইকে ফোন রেখেই যেতে হবে।

আজকের সংলাপ নিয়ে সবাই ব্যস্ত সেখানে কী হবে না হবে এই বিষয় নিয়ে। কিন্তু এমন ঐক্যফ্রন্টের একজন নেতা মোবাইল নিয়ে যাবেন কিনা তা জানতে অস্থির হয়ে পড়েছেন। আওয়ামী লীগের একাধিক নেতাকে ফোন করে তিনি বলেছেন, আজকের বৈঠকে ঐক্যফ্রন্টের যারা আসছেন তারা সবাই গণ্যমান্য। নিরাপত্তার নামে যেন তল্লাসি না করা হয়, মোবাইল আটকে রাখা এমন বিষয়গুলো যেন না হয়। তিনি এও বলেছেন, এমন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে নেতাদের যদি অপমান করা হয় বা অসম্মান করা হয়, তাহলে সেটা সংলাপের জন্য ক্ষতিকর হবে। মূল বিষয়টি হলো মোবাইল নিয়ে সংলাপে অংশগ্রহণের জন্য ওই নেতা অনেক কসরতই করছেন।

এই বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত হলো, এমন গুরুত্বপূর্ণ এক সংলাপে মোবাইল নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন কোথায়, যদি না এর মাধ্যমে নেতিবাচক কিছু করার উদ্দেশ্য থাকে।

এমএ