ঢাকা শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০ই আশ্বিন ১৪২৭

বগুড়ায় অটো ডিসইনফেকশন বুথের উদ্ভাবন ৪ তরুণ স্বেচ্ছাসেবীর


১৮ এপ্রিল ২০২০ ২৩:১৯

আপডেট:
১৮ এপ্রিল ২০২০ ২৩:২৪

সংগৃহিত

উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় স্বল্প খরচে বগুড়ায় ৪ জন তরুণ সেচ্ছাসেবী মিলে নিজস্ব উদ্যোগে তৈরি করেছেন অটো ডিসইনফেকশন বুথ। শনিবার বিকেলে শহরের ঘোড়াপট্টি দেশ হসপিটাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে প্রাথমিকভাবে স্থাপনের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করা হয়েছে।

তরুণ সেচ্ছাসেবী সজিব ইসলাম এবং ডেন্টিস্ট সুজিত কুমার তালুকদার নেতৃত্বে প্রকৌশলী আরশাদ করিম শাদ এবং আরেক তরুণ দেশ হসপিটালের সত্ত্বাধিকারী আপেল মাহমুদ এই ৪ তরুণের সন্মিলিত উদ্যোগে নির্মিত স্বল্পমূল্যের এই জীবানুনাশক অটো সেন্সর বুথের আনুষ্ঠানিভাবে উদ্বোধন করেন বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ এস.এম বদিউজ্জামান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তরুণদের এই উদ্যোগে পাশে থেকে উৎসাহ প্রদান করেন জেলা ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক ওনার্স এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাকলাইন বিটুল, জার্নালবিডি২৪.কম এর প্রকাশক ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী পরিমল প্রসাদ রাজ, জেলা মোবাইল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শেখর রায়, ডেন্টিস্ট মোশারফ হোসেন, সাংবাদিক সঞ্জু রায়, রাকিবুল ইসলাম মিশু, সংগঠক আকবর আলী, সজল শেখ প্রমুখ।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় যখন সচেতনতা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং মূলত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকাটাই বেশী জরুরী তখন ঘনবসতিপূর্ণ এই দেশে নিজেদের সামর্থ্যরে মধ্যে চাহিদা মোতাবেক কোন মুনাফা ছাড়া স্বল্প মূল্যে দেশের স্বার্থে দশের স্বাথে শহরের বিভিন্ন হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্যাংক, দপ্তর এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী পাওয়ার স্থানগুলোতে এই অটো ডিসইনফেকশন বুথ স্থাপনের লক্ষ্যে নিয়ে কাজ করা এই উদ্যোক্তারা জানান, মানুষ মাস্ক বা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করলেও নিজেদের অজান্তেই করোনাভাইরাসের জীবানুগুলো পরিহিত পোষাকের মাধ্যমে মানুষের ঘরে ঢুকে যেতে পারে এবং পোষাকে এই ভাইরাস দীর্ঘক্ষন জীবিত থাকে।

এসএসএসএ নামে উক্ত ডিসইনফেকশন বুথে প্রবেশের সাথে সাথেই অটোমেটিকভাবে সেন্সরের সাহায্যে মানুষের পুরো শরীরে ডিসইনফেকশন কেমিক্যাল স্প্রে হবে যার মাধ্যমে খুব সহজেই এবং ভোগান্তিবিহীন জীবাণুমুক্ত হওয়া সম্ভব। তবে ইতিমধ্যেই বগুড়ার বিভিন্ন মহল থেকে খুব ইতিবাচক সাড়া পেয়েছে বলেও জানান তারা। তবে উদ্যোক্তারা জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এটি স্থাপনের লক্ষ্যে স্থানীয় প্রশাসন এবং বগুড়ার সর্বসাধারণের সহযোগিতা কামনা করেছেন।