ঢাকা বুধবার, ২০শে নভেম্বর ২০১৯, ৭ই অগ্রহায়ণ ১৪২৬


নামাজ কিভাবে ফরজ হলো


৩১ আগস্ট ২০১৮ ১২:২৮

আপডেট:
৩১ আগস্ট ২০১৮ ১২:২৯

ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত। এর মধ্যে সব চেয়ে শক্তিশালী ভিত্তি হলো নামাজ। কালেমার পরই নামাজের অবস্থান।

নামাজ আদায় করা ছাড়া কোন ব্যাক্তি মুসলিম থাকতে পারে না। এটি কাফির আর মুসলিমের মধ্যে পার্থক্যকারী। প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ হচ্ছে উম্মতে মোহাম্মদির উপর ফরজ।

হযরত মোহাম্মদ (সা.) নামাজের গুরুত্ব বোঝাতে বলেছেন, মৃত্যুর পর আল্লাহ সর্বপ্রথম নামাজের হিসাব নিবেন। তিনি আরো বলেছেন, নামাজ জান্নাতের চাবি।

প্রিয় নবী হজরত মোহাম্মদ (সা.) হজরত জিবরাইল (আ.) এর বিশেষ সহযোগিতায় মহান রাব্বুল আলামিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ লাভ করেন। সেই মিরাজর সময়ে মহান প্রভু আমাদের জন্য নামাজকে উপহার হিসাবে দান করেছেন।

বান্দার সাথে মহান আল্লাহর সাক্ষাতের বিশেষ মূহুর্ত হলো নামাজ। মহান প্রভু আমাদের জন্য মিরাজের দরজা বন্ধ না করে নামাজের মাধ্যমে খোলা রেখেছেন।

মুমিনের মিরাজই হলো নামাজ। এ নামাজেই মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর সাক্ষাত লাভ করতে পারে। আল্লাহ দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার নামাজ। নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর ভয় ও ভালবাসা প্রতিষ্ঠিত হলে মানব জীবনের দুনিয়া ও আখিরাত হবে সার্থক।

কোরআনে মহান রাব্বুল আলামিন উল্লেখ্য করেছেন, তিনি যা দেখেছেন অন্তর তাকে অস্বীকার করেনি (সুরা নজম, আয়াত ১১)। অন্য আয়াতে মহান প্রভু আরো বলেছেন, তাঁর দৃষ্টি বক্র হয়নি এবং লক্ষ্যচ্যুত হয়নি (সুরা নজম, আয়াত ১৭)।

আল্লাহপাকের এই সাক্ষাতের পর আল্লাহ তার প্রিয় নবী (সা.) কে উপহারস্বরূপ ৫০ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করেছিলেন। যখন প্রিয় নবী পালনকর্তার এই নির্দেশ নিয়ে আসছিলেন, সেই সময়  মুসা (আ.) জিজ্ঞেস করলেন, আল্লাহ তাঁকে উপহারস্বরূপ দিলেন। জবাবে নবী (সা.) বললেন ৫০ ওয়াক্ত নামাজ।

তখন তিনি প্রিয় নবী উম্মতের কথা চিন্তা করে নামাজের পরিমাণ কমানোর সুপারিশের কথা বলেন। তখন প্রিয় নবী মহান প্রভুর নিকট আবার গেলেন এবং নামাজ কমানোর আবেদন করেন।

এভাবে কয়েকবার আবেদনের পর নামাজের পরিমাণ কমিয়ে পাঁচ ওয়াক্ত করা হয়। সেই সাথে মহান আল্লাহতায়ালা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় কারীকে ৫০ ওয়াক্ত নামাজের সওয়াব দানের ওয়াদা করেন।

আমাদের উপর নামাজ নামাজ ফরজ হয়।