ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ১৭ই অক্টোবর ২০১৯, ৩রা কার্তিক ১৪২৬


প্রধানমন্ত্রী আশাবাদী তিনি এই দুর্নীতিকে রুখবেন: তাজুল ইসলাম


২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৫২

আপডেট:
২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৪:১০

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংককে (এডিবি) বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, বিদেশি সংস্থা কিংবা কোন রাষ্ট্র বিনিয়োগ করলে তাদের টাকা ফিরিয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুন্দর অতীত রয়েছে। আমাদের জনবল রয়েছে। রয়েছে ভূমিও। আমাদের এখন বিনিয়োগ প্রয়োজন। বিনিয়োগকারী লাভবান হবে, দেশও লাভবান হবে। এডিবি বিনিয়োগ করলে আমাদের পাশাপাশি তারাও লাভবান হবে।

রোববার সকালে রাজধানীর কারওয়ানবাজারে অবস্থিত সোনারগাঁও হোটেলে তিন দিনব্যাপী ‘দ্রুত প্রকল্প বাস্তবায়ন সপ্তাহ-২০১৯’-এ একথা বলেন মন্ত্রী।

তাজুল ইসলাম বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে সঠিক প্রকল্প নির্বাচন করতে হবে। যাতে করে তারা তাদের বিনিয়োগ ফিরিয়ে নিতে পারে। যখন কোনো একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়, তখন এটির যথাসময়ে বাস্তবায়ন, মান ঠিক রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। মান সম্পন্ন পরিকল্পনা ও নকশা গুরুত্বপূর্ণ। সেই সঙ্গে প্রকল্পের খরচ কমানোও অপরিহার্য।’

কাজের মান বজায় রাখার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে দেশের প্রতিটি খাতে দুর্নীতির বিষয়েও কথা বলেন এই মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘দেশে দুর্নীতি আরেকটি বড় সমস্যা। আপনারা জানেন, দেশ সবসময় গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত হয়নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর দেশে অরাজক পরিস্থিতির তৈরি হয়েছিল। অনেক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে আমাদের সমাজে। এর ফলে প্রত্যেক জায়গায় সুশাসনের ঘাটতি রয়েছে, দুর্নীতি রয়েছে। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশাবাদী যে, তিনি এই দুর্নীতিকে রুখবেন।’

এ সময় বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তাজুল ইসলাম। বলেন, ‘নিয়মিতই বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে অভিযোগ আসে প্রকল্প পরিচালকদের বিরুদ্ধে। আমি নিজেও একজন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। আশা করি, প্রকল্প পরিচালকরা আরও বেশি যত্নশীল হবেন। যখন কোনো প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, তার উচিত সেই প্রকল্প যথাসময়ে বাস্তবায়ন করা, কাজের মানও ঠিক রাখতে হবে। তিনি যেন কোনো সমালোচনার মুখে না পড়েন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এডিবির বাংলাদেশে নিযুক্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর মনমোহন প্রকাশ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) অতিরিক্ত সচিব (এডিবি শাখার প্রধান) ফরিদা নাসরিনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।