ঢাকা শনিবার, ৫ই এপ্রিল ২০২৫, ২৩শে চৈত্র ১৪৩১


পরিবারসহ ইসলাম থেকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ


৪ অক্টোবর ২০১৮ ২২:০৭

ভারতের উত্তরপ্রদেশের বাগপতের বরারখা জেলায় ছেলে হত্যার বিচার পেতে আখতার আলি (৬৮) নামে এক বৃদ্ধ ও তার পরিবারের ১২ জন সদস্য।হলফনামার মাধ্যমে মুসলিম ধর্ম থেকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করে অসহায় পরিবারটি।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক আলোড়ন শুরু হয়েছে। খবর আনন্দবাজার। নিজের ছেলে হত্যার সুবিচার চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোনো প্রতিকার না পেয়ে এ সিধান্ত গ্রহণ করেন তিনি ও তার পরিবার। এদিকে পুলিশ তার ছেলের হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দিতে চাইছে এমন অভিযোগ তুলেছেন পিতা আখতার আলি।

মাসখানেক আগে তার ২৮ বছর বয়সী ছেলে গুলহাসানের ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়।

নিহত গুলহাসানের পরিবারের অভিযোগ, তাকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের কাছে খুনের অভিযোগ করলে, পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে স্রেফ আত্মহত্যার ঘটনা বলেই মামলা করে। এতে খুবই হতাশ হয়ে ছেলের হত্যার সুবিচার পেতে পবিরারের ১২ সদস্যসহ নিজে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেন।

এ বিষয়ে বাগপতের জেলা প্রশাসক ঋষিরেন্দ্র কুমার জানান, পুলিশের তদন্তে সন্তুষ্ট না হয়ে আখতার ও তার পরিবার নিজ ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলমান থেকে হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের যুব হিন্দু বাহিনী (ভারত)-র প্রধান সৌখেন্দ্র খোখার বলেন, হিন্দু ধর্মের রীতিনীতি অনুযায়ী নাম পরিবর্তন করেছেন আখতার ও তার পরিবারের সদস্যরা। গত মঙ্গলবার রীতিমতো যজ্ঞ করে ধর্ম পরিবর্তনের আয়োজন করে যুব হিন্দু বাহিনী।

সৌখেন্দ্র খোখার আরো বলেন, ছেলের খুন পুলিশ আত্মহত্যা বলে মামলা দায়ের করায় আখতার আলি প্রচণ্ড হতাশ হয়েছিলেন। স্বধর্মের লোকদের কাছ থেকেও শূন্য হাতে ফিরতে হয় তাকে। বিপদের দিনে কেউই তার পাশে এসে দাঁড়াতে চাননি।

আখতার (পূর্বের নাম) ওরফে ধরম সিং আরও বলেন, নিজ ধর্মের মানুষের কাছ থেকে কোনো ধরনের সাহায্য তো পাইনি বরং একটি মুসলিম পঞ্চায়েতে আমাদের সাহায্যের পরিবর্তে অপমান করা হয়। নিজ সম্প্রদায়ের কাছ থেকে সহায়তা না পাওয়ায় আমরা ধর্ম পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নেই। আমরা এখন সুবিচার পাওয়ার আশা করছি।

এসএমএন