ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী ‘ভুতুড়ে জাহাজ’ মিয়ানমার উপকূলে

ইয়াঙ্গুনের সমুদ্রসৈকতে রহস্যময় একটি জাহাজ নিয়ে মিয়ানমার পুলিশ অনুসন্ধান চালাচ্ছে। জাহাজটি কীভাবে মিয়ানমারের জলসীমায় প্রবেশ করল এবং কোন উদ্দেশ্যে এটা এখানে এল তা খতিয়ে দেখছে মিয়ানমার পুলিশ।
বিবিসি সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে জেলেরা মিয়ানমারের বাণিজ্যিক রাজধানীর উপকূলের কাছে ‘স্যাম রাতুলাঙ্গি পিবি ১৬০০’ নামের একটি জাহাজের সন্ধান পায়। বৃহস্পতিবার (৩০ আগস্ট) মিয়ানমার নৌ বাহিনী সমুদ্রসৈকতে আটকে পড়া ওই জাহাজটির ভেতরে অনুসন্ধান পরিচালনা করেন। এসময়
ইন্দোনেশিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটিতে কোনো নাবিক বা পণ্য ছিল না জানায় ইয়াঙ্গুন পুলিশ।
এবারই প্রথম মিয়ানমারের জলসীমায় এ ধরনের ‘ভুতুড়ে জাহাজের’ সন্ধান মিলে।
বিশ্ব মেরিন ট্রাফিক ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ২০০১ সালে ‘স্যাম রাতুলাঙ্গি পিবি ১৬০০’ নামের জাহাজটি নির্মিত হয়। ১৭৭ মিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্যের বড় জাহাজটি কনটেইনার পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত হত।
সর্বশেষ ২০০৯ সালে তাইওয়ান উপকূলে জাহাজটির অবস্থান রেকর্ড করা হয়। নয় বছর পর ইয়াঙ্গুনে এর খোঁজ মিলল।
মিয়ানমারের নাবিকদের স্বতন্ত্র একটি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক অং কিয়াও লিন,‘স্যাম রাতুলাঙ্গি পিবি ১৬০০’-কে এখনো ‘কাজ চালানোর মত সচল’জাহাজ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন।
তিনি মিয়ানমার টাইমসকে জাহাজটি সম্প্রতি পরিত্যক্ত হয়েছে বলেও ধারণা দিয়েছেন।
আইএমটি