বেনাপোলে প্রতিবন্ধী ও শিশুদের নিকট থেকে চাঁদা আদায়
-2018-11-25-15-44-46.jpg)
স্বাধীনতার ৪৭ বছরের সব নিয়ম কানুন উপেক্ষা করে আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের চার্জ বাবদ চাঁদা আদায় করছে স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ। ভারতে ভ্রমণের সময় ৫ বছরের নিচে শিশু প্রতিবন্ধী ক্যান্সার রোগিদের নিকট থেকে কোন প্রকার সরকারি কর আদায়ের নিয়ম নেই। ভারত ভ্রমণের বর্তমান ভ্রমণ কর ৫০০শত টাকা।
সেই ট্যাক্স কাস্টমস সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আদায় করে না। কিন্তু আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল চালু হওয়ার পর তাদের নিকট থেকে ও এসব কর নিত না কিন্তু সম্প্রতি নতুন পরিচালক যোগদান করার পর থেকে এসব পাসপোর্টযাত্রীদের নিকট থেকে টাকা আদায় করছে।
সম্প্রতি প্রতিবন্ধী ক্যান্সার এবং ৫ বছরের নীচে শিশুর নিকট থেকে বেনাপোল বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের নিয়ম মাফিক ৪২ টাকা চাঁদা আদায় করছে। যেখানে কোন সুযোগ সুবিধা নাই। তারপর কাস্টমস ও এসব মানুষের নিকট থেকে ভ্রমণ কর নেয় না। বেনাপোল বন্দরের পূর্বের পরিচালক আমিনুল ইসলাম থাকাকালীন সময়ে ও এসব পাসপোর্ট যাত্রীদের নিকট থেকে ৪২ টাকা চাঁদা আদায় করত না। কারণ এরা অসহায় প্রতিবন্ধী শিশু ও ক্যান্সার রোগী।
কিন্তু দুইমাস আগে, বেনাপোল বন্দরের নতুন পরিচালক প্রদোষ কান্তী দাস যোগদান করার পর থেকে এসব আইন জারী করে এসব পাসপোর্ট যাত্রীদের নিকট থেকে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বেনাপোল স্থল বন্দরেরর পরিচালক প্রদোষ কান্তীর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন সকলে টার্মিনালের চার্জ দিবে। আমাদের এ ব্যাপারে প্রধান কার্যালয় থেকে চিঠি নেই। যার জন্য এটা আমাদের নিতে হবে।
গরীব অসহায় প্রতিবন্ধী নারী ময়মুন নিশা অভিযোগ করে বলেন, তার নিকট থেকে ভ্রমন কর বাবদ টাকা নেয়নি। কিন্তু প্যাসেঞ্জার টার্মিনালের চার্জ জোর করে আদায় করছে। আমি তাদের বুঝানোর চেষ্টা করলে ও তারা আমার কোন কথা শোনে নাই। পুনরায় ব্যাংকে যেয়ে চাঁদা আদায়ের রশীদ নিয়ে আসতে বলে।
বেনাপোল চেকপোষ্টে পাসপোর্টযাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন আমরা সকল প্রকার ভ্রমন কর দিলে ও কোন প্রকার সুযোগ সুবিধা পাচ্ছি না বেনাপোল আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল থেকে। এখানে বসার জায়গা নেই খাবার পানি ও ল্যাগেজ নেওয়ার ক্ষেত্রে নেই কোন ট্রলির ব্যবস্থা।
এ ব্যাপারে যাত্রীরা সঠিক সেবা পেতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।
এমএ