ঢাকা সোমবার, ১৪ই অক্টোবর ২০১৯, ২৯শে আশ্বিন ১৪২৬

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে ৩০ গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত


১১ জুলাই ২০১৯ ২৩:২২

আপডেট:
১৪ অক্টোবর ২০১৯ ০৪:২২

শেরপুরে পাহাড়ি ঢলে ৩০ গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

অবিরাম বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। গত তিন দিনের টানা বর্ষণ ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মহারশী ও সোমেশ্বরী নদীর পানির স্রোতে তীরবর্তী বাঁধ ভেঙে ঝিনাইগাতী উপজেলার ঝিনাইগাতী সদর, ধানশাইল, গৌরীপুর, হাতিবান্ধা ও মালিঝিকান্দা ইউনিয়নের ৩০ টি গ্রামের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার কাঁচা ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট, রোপা আমন ধানের বীজতলা, পুকুরের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে। ঢলের পানিতে মানুষ ও গৃহপালিত পশু পানি বন্দি হয়ে পড়েছে।

সীমান্তের ওপারের উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবল বেগে মহারশি নদীর দিঘীরপাড় এলাকার নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকার বাড়ি-ঘর প্লাবিত হয়েছে। এছাড়া বগাডুবি, কালিনগর, সারিকালিনগর, দড়িকালিনগর, দীঘিরপাড়, চতল, লঙ্কেশ্বর, পাইকুড়া, জরাকুড়া, কোনাগাঁও গ্রাম ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

ধানশাইল ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল বলেন, পাহাড়ি ঢলে সোমেশ্বরী নদীর পানি বেড়ে তার ইউনিয়নের নয়াপাড়া, দাড়িয়ারপাড়, কান্দুলী, মাঝাপাড়া, বাগেরভিটা গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।

গৌরিপুর ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান মন্টু বলেন, মহারশি নদীর বনগাঁও এলাকার নদীর বাঁধ ভেঙে জিগাতলা, বনগাঁও, খাঁপাড়া প্লাবিত হওয়ায় রোপা আমন ধানের বীজতলা, পুকুরের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে।

মালিঝিকান্দা ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম তোতা বলেন, হাঁসলিবাতিয়া, রাঙ্গামাটিয়া, দেবত্তর পাড়া, বানিয়াপাড়া, জুলগাঁও প্লাবিত হয়েছে। এসব এলাকার আমন ধানের বীজতলা ও পুকুরের মাছ পানিতে তলিয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির বলেন, ঢলের পানিতে ১৫ হেক্টর রোপা আমন ধানের বীজ তলা আংশিক নিমজ্জিত আছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবেল মাহমুদ বেশ কিছু এলাকা পরির্দশন করে বলেন, দিঘীরপাড় এলাকার নদীর বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকার বাসিন্দা শাহজাহানের বাড়ি-ঘর ক্ষতি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সহায়তা প্রদান করা হবে।