ঢাকা মঙ্গলবার, ৩রা আগস্ট ২০২১, ১৯শে শ্রাবণ ১৪২৮


রায়হান, একজন বাংলাদেশী নৃত্যশিল্পী


২৮ এপ্রিল ২০২১ ১৪:৪৮

ছবি- সংগৃহিত

আমি নৃত্যশিল্পী ও পরিচালক কাজী রায়হান। আমার সংগঠনের নাম রুমঝুম নৃত্যালয়। নাচ কে সেই ছোট্ট বেলা থেকে নিজের মধ্যে ধারণ করে অনেক চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আজ এখানে এসে দাঁড়িয়েছি।

আজ আমি রায়হান, একজন নৃত্যশিল্পী শুধু আমার কথাই নয় বলব আমার মত আরও হাজারো শিল্পীর লুকিয়ে থাকা কিছু অভিযোগ কিছু অভিমান। এর আগে জানতে হবে একজন শিল্পী কি?

সচরাচর যেটা দেখতে পাই, যারা থাকেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে তাদের সম্পর্কে জানতে ভক্তদের আগ্রহ থাকাটাই স্বাভাবিক।

একজন জনপ্রিয় তারকা বা শিল্পী কী করেন, তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী এবং অতীত কেমন ছিল- এসব বিষয় জানার আগ্রহ থাকে সবসময় ভক্তদের প্রবল। কিন্তু প্রতিষ্ঠিত তারকা বা শিল্পীর পিছনে রয়েছে অনেকগুলো মানুষের অক্লান্ত পরিশ্রম। যা হয়তো কখনোই সামনে আশে নাহ।

আমরা কখনোই ভাবি নাহ এই বিষয় গুলো।শুধু প্রতিষ্ঠিত দলের প্রধান ও দল কে শুধু বাহবা জানাই। সেই পিছনে পরে থাকা মানুষের কষ্ট গুলো তুলি ধরছি আজ এখানে।

শিল্পী কি?

শিল্পী হচ্ছে একজন ব্যক্তি যিনি শিল্পকর্ম সৃষ্টি, শিল্পকর্ম অনুশীলন,বা শিল্প প্রদর্শন সম্পর্কিত কার্যকলাপের সাথে জড়িত।

শব্দটি প্রায়ই বিনোদন ব্যবসায়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ব্যবসায়ী প্রসঙ্গে সঙ্গীতশিল্পী, নৃতশিল্পীএবং অন্যান্য অভিনয়কারীর ( অভিনেতাদের জন্য কম) জন্য।

“Artiste” (ফরাসি তে “Artist” বা শিল্পী) একটি বৈকল্পিক ইংরেজি শব্দ যা শুধুমাত্র এই প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।

আমি মনে করি, সমাজের আর দশজনের চেয়ে একজন শিল্পীর সামাজিক দায়িত্ব অনেক বেশি। তার কারণ, শিল্পী তাঁর সৃষ্টকর্ম দিয়ে সাধারণকে প্রভাবান্বিত করার ক্ষমতা রাখেন। মতবাদ প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন।

যেহেতু শিল্পী আপন ভৌগোলিক পরিবেশে লালিত সংস্কৃতির একজন একনিষ্ঠ কর্মী, সেহেতু তিনি বারবার উৎসের দিকে মুখ ফেরাবেন।

সাহায্য করবেন স্বদেশবাসীকে তার গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্যের প্রতি মুখ ফেরাতে। এ ক্ষেত্রে শিল্পীর বিপরীত ভূমিকা দেশবাসীকে বিপথগামী করার সুযোগ এনে দেয়।

শুধু নৃত্যশিল্পী নন, একজন নাট্যকর্মী, লেখক, চলচ্চিত্রশিল্পী, ক্রীড়াবিদ ও সংগীতশিল্পী—সবারই সামাজিক দায়িত্ব সমাজকে প্রগতির পথে নিয়ে যেতে সাহায্য করা।

নৃত্যশিল্পী

শরীর, ছন্দ, আত্মা, মন, সংগীত—এসব নিয়ে নান্দনিক ছন্দিত শরীরী প্রতিমাই হলো নৃত্য। কিংবদন্তি নৃত্যশিল্পী মার্থা গ্রাহাম বলেছেন, নৃত্য হলো লুকিয়ে থাকা আত্মার ভাষা। পণ্ডিত বিরজু মহারাজ বলেছেন, নৃত্য হলো প্রকৃতি।

হৃৎপিণ্ডের ধুকপুক শুনলেই বোঝা যায়, সে তার নিজস্ব ছন্দে নাচছে। শাস্ত্রীয় নৃত্য ও সংগীত মিলে মন ও আত্মার মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করে। নৃত্য খুব সহজেই সবার কাছে পৌঁছায় ও গ্রহণযোগ্যতা পায়।

নৃত্যের মাধ্যমে সামাজিক বন্ধন দৃঢ় হয়, মানুষে মানুষে বিনিময় ঘটে, কথা হয়। নৃত্য এমনই একটা মাধ্যম, যা আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে একটা আকৃতি দেয়।

যা প্রত্যেকের ব্যক্তিক-অভিব্যক্তির জন্যও প্রয়োজনীয়। দুঃসময়ে-দুর্দিনে নৃত্য ও অন্যান্য উপস্থাপন-কলা মানুষের মধ্যে আনন্দ বিতরণ করে, যা আমাদের সত্তার ও সময়ের পরিচয় ঘটায়।

কিছু ভুল

সবারই কিছু ভুল ত্রুটি থাকে।আামাদের ও আছে। হয়তো সবার মাঝে সেই ভুল গুলো দেখা যায় নাহ।এক একটি সংগঠনে অনেক শ্রেনির মানুষের মেলবন্ধন। এখানে সবার মন মানসিকতা কিন্তু এক হবে নাহ।এটা খুবই স্বাভাবিক।

এক্ষেত্রে দেখা যায় আমাদের কাজের সময় কিছু এুটি চলে আশে।কখনও বাহ্যিক আবার কখনও অভ্যন্তরিন। আমরা একটি দলে বা সংগঠনে যখন কাজ করি তখন সেই দলের দলনেতার মন রক্ষা করে চলা আমাদের প্রধান কাজ।

এক্ষেত্রে দেখা যায় আমরা অনেক সময় আামাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধতার কথা ভুলে যাই। আমরা যে গুরু বা শিক্ষক এর হাত ধরে তৈরি হই তার তার অবদান সবচেয়ে বেশি থাকে।আমাদের ও ঠিক তেমনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা উচিত।

বাংলাদেশে নৃত্যচর্চার অবস্থান

আমি মনে করি শুধু শারীরিকভাবে নয়, একজন নৃত্যশিল্পীকে মানসিকভাবেও শিল্পী হয়ে উঠতে হবে। সকল ধরনের পারদর্শিতা একজন নৃত্যশিল্পীর মাঝে থাকতে হবে।

তার চলন, বলন তার পরিমিতি মানুষের ভেতরে তৈরি করে দেবে এক শৈল্পিক মনভাব। আর আমরা চাই,শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতেও নাচ চালু হোক।

তাহলে শিক্ষিত নৃত্যশিল্পী গড়ে উঠবে। পরে এই নাচ নিয়ে গবেষণা হবে। এখন যেমন ড্যান্স থেরাপি নিয়ে কাজ হচ্ছে।

সংশোধনাগারে, কারাগারে নাচের মাধ্যমে থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের স্বপ্ন, স্কুল-কলেজে নাচ চালু হবে। তাতে ঘরে ঘরে অন্তত একজন নৃত্যশিল্পী থাকবে।

শুধু লোকনৃত্য নয়, সেগুলোকে ব্যাকরণে ফেলে শাস্ত্রীয় নৃত্যে রূপ দেওয়া হবে। যেমনটি পাশের দেশ করতে পেরেছে এবং বিশ্বব্যাপী সেগুলোকে ছড়িয়ে দিয়েছে।আমরাও পারব।

অনেক ছেলেমেয়ে নাচ নিয়ে পড়াশোনা করছে, কিন্তু সরকারি কোনো বৃত্তি পায় না তারা। ভারত সরকারের বৃত্তি নিয়ে আমরা সে দেশে পড়তে যাচ্ছি এখনো।

আমাদের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় এটা করতেই পারত। আমাদের অনেক মেধাবী নৃত্যশিল্পী আছে। তাদের যদি দেশের বাইরে থেকে শিখে আসার সুযোগ করে দেওয়া হতো, ভালো হতো।

এতে সমৃদ্ধ হতাম আমরাই। তারা শিখে এসে অন্যদের শেখাত।নাচের মাধ্যমে কিন্তু আমরা নারী স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছি।

নৃত্যশিল্পীরা স্বাধীন ও নান্দনিক চর্চার মাধ্যমে দেশের নারী জাগরণে ভূমিকা রাখতে পারে। যেমন পারছেন নারী পোশাকশ্রমিকেরা।ঘর থেকে বেরিয়ে জাতীয় অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে কাজ করছেন তাঁরা।

আমরা কি আামাদের নায্য পারিশ্রমিক পাচ্ছি?

আমরা শিল্পীরা যে সংগঠনেই কাজ করি নাহ কেন আমরা সব সময়ই চাই আামাদের সর্বশ্য দিয়ে আামাদের কাজটির সফলতা আনতে।

কোন শিল্পীই চায় নাহ তার পরিবেশনা খারাপ হোক।কিন্তু আমরা এত কষ্টের পরও যখন আমাদের নায্য পারিশ্রমিক পাই না তখন খুবই হৃদয়বিদারক ঘটনার মধ্য নিয়ে চলতে হয়।

অনেক নৃত্যশিল্পী আছে যারা নাচ করেই তাদের জীবিকানির্বাহ করে। পরাশুনা খরচ চালায়।পরিবারের খরচ যোগায়।একটা অনুষ্ঠান করার পর সেই সম্মানি দিয়েই তার দৈনন্দিন অভাব গুলো পূরন করে।

একটা অনুষ্ঠানের পিছনে সেই শিল্পীর অবদান কতটা একবার কি ভেবে দেখেছি? সকাল বেলা নাহ খেয়ে রিহার্সেলে যাওয়া, কোনদিন গাড়ি ভাড়া ও পকেটে থাকে নাহ।দুপুরের খাবারটা দলের সাথে কোন মতে মানিয়ে নেওয়া।আবার রিহার্সেল করা।

সেটা যত রাত ই হোক নাহ কেন। তখন আামাদের দলনেতার সে কথা মাথায় থাকে নাহ রাত হচ্ছে,ছেলেমেয়ে গুলো বাড়ি ফিরতে হবে।

কিভাবে যাবে সেতাও তার ভাবনার বাহিরে থাকে। তার নিজের গাড়িতে করে সে ঠিকই চলে যায়।শারীরিক অসুস্থতা হলেও কখনো বিশ্বাস করে নাহ।।

ভাবে এ এক অভিনয়।অনেক ধরনের বাধা বিপওি পেরিয়ে আসতে হয় একটি অনুষ্ঠানে। এত কিছুর পরও যখন দেখি আমাদের সম্মানি আশার থেকেও কম তখন সেই শিল্পীর কি অবস্থা হবে একবার কি ভেবে দেখেছি?

কিন্তু অনুষ্ঠান পরিচালক বা ব্যাবস্থাপনায় যারা থাকেন তাঁদের কাছে থেকে দলনেতা সম্পূর্ণ বাজেট নিয়ে থাকেন।হা আমরা বুঝি একটি অনুষ্ঠানের জন্য পোশাক, গহনা,খাবার সব কিছুর জন্য আলাদা বাজেট দেওয়া হয় এবং শিল্পী সম্মানির জন্য আলাদা বাজেট দেওয়া হয়ে থাকে।

কিন্তু এর পর ও যদি নানা অযুহাতে সেই শিল্পীর পারিশ্রমিক থেকে কেটে নেওয়া হয় সেটা কতটা যুক্তিগত আসলে আমার বোধগম্য নয়।সব দলনেতা এক নাও হতে পারে কিন্তু বেশিরভাগই এমন।

নিজের সার্থ সিদ্ধি আদায় এর পর আর স্মরন করে নাহ।এত কিছুর পর ও শুনতে হয় খুব বাজে কথা। যদি কোন নৃত্য শিল্পী তার প্রতিভা প্রকাশের জন্য একটু সুযোগ চায় তখন তার কাছে সেই সুযোগ এর জন্য গুরুকে দেওয়ার মত দক্ষিণা নাহ থাকে।

তখন হয়তো মানবতার খতিরে তাকে ফ্রি ক্লাস ও করিয়ে পরবর্তীতে স্বার্থে কোন ব্যাঘাত ঘটলে তাকে সেই কথা শুনিয়ে দেওয়া হয়।শুনে এসেছি পিতা মাতার পর ই রয়েছে শিক্ষক।

আর সেই শিক্ষক এর কাছ থেকেই যদি এমন শিক্ষা পেয়ে থাকি তাহলে এ কেমন শিক্ষা? একই অনুষ্ঠানে অন্য দলের ছেলেমেয়েদের থেকে আমরা যদি কম সম্মানি পাই তাও সব দলের থেকে বেশি পরিশ্রম করে এটা কতটা মানবিক আসলেই বুঝতে পারছি নাহ!

তারা ভুলেই যান আামাদের নিয়েই তাদের দলের পথচলা।আামাদের ছাড়া অচল। এত কষ্টের পরও আমরা ভালো ব্যবহার পাই নাহ।একটা দল প্রতিষ্ঠিত হাওয়ার ক্ষেএে শুধু দলনেতারই অবদান তা ভুল।

যদি তাই হত তাহলে ব্যঙ্গকরে বলতেই পারি কোন দলকেই সদস্যের বা সহ শিল্পীর প্রয়োজন হত নাহ মঞ্চে কলাগাছ দাড় করিয়ে একাই দল চালিয়ে যেত।

আসলে এই কথা গুলো হয়তো দলের দলনেতাদের খারাপ লাগতে পারে। কিন্তু এটাই সত্যি। সর্বদা হিংসা র রাজ্যে বসবাস করেন তারা।

আমিও একজন দলনেতা। হুম এটা আামার ক্ষেএেও প্রোযজ্য।শিল্পী আন্দোলন করে সামাজিক পরিবর্তন ঘটানো বিরাট ব্যাপার।

ইতিহাসে দেখা গেছে, এ ধরনের আন্দোলনের জন্য সামাজিক ক্ষেত্রও প্রস্তুত হয়ে থাকে। অতীতে দেখা গেছে, শিল্পীরা তাঁদের হাতিয়ারকে কাজে লাগিয়েছেন সমস্যা থেকে উত্তরণের পথে যাওয়ার কালে।

ধর্মীয় যাজকদের কবলে জীবন যখন জড়ত্বে পঙ্গু, তখনই ইউরোপে এসেছে রেনেসাঁ। তেমনই ‘এসটাবলিসমেন্ট’-এর বিরুদ্ধে ইম্প্রেশনিস্টদের বিদ্রোহ।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ-পরবর্তী মানবজীবনে হতাশা, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার অবসানকল্পে এক্সপ্রেশনিস্টদের আবির্ভাব ইউরোপে সামাজিক পরিবর্তনের সূচনা করেছে।

একইভাবে আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে পথিকৃৎ না হলেও বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ও একাত্তরের স্বাধীনতাযুদ্ধে বাংলাদেশের শিল্পীরা জনগণের পাশেই স্থান করে নিয়েছিলেন।

সামাজিক অবক্ষয়ের শিকার শিল্পীসমাজও। প্রতিষ্ঠিত মূল্যবোধের ভাঙনে সমাজের সর্বস্তরের বিশৃঙ্খলা দেশকে নিয়ে যাচ্ছে চরম হতাশার দিকে। ব্যক্তিস্বার্থ জন্ম দিচ্ছে সন্দেহ আর অবিশ্বাসের।

সবচেয়ে দুঃখজনক, যাঁরা এতকাল সমাজের বিবেক বলে পরিচিত, তাঁরাই আজ সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত।

করোনাকালিন শিল্পীদের অবস্থা

বর্তমানে আমরা এক ভয়াল অবস্থার মধ্যে দিয়ে আামাদের জীবন অতিবাহিত করছি। চারিদিকে শুধু মৃত্যুর খবর। অনেক আপনজন হারিয়ে ফেলছি।

আমরা যারা শিল্পী তাদের সকল চলমান জীবন থমকে গিয়েছে। সকল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ সকল কর্মকান্ড বন্ধ রয়েছে। কখনো ভাবিনি বিশ্বে এমন একটি আতংক তৈরি হবে।যা ধনি গরিব ভেদ করেনা।

শিল্প,দয়া,প্রাচুর্য,অহংকার,মানবিকতা এই শব্দগুলা কেমন যেন মিলেমিশে এক হয়ে গেছে।আমরা এমন এক যুদ্ধে নামছি যেখানে শত্রুকে দেখতে পাচ্ছিনা কখন আক্রমণ করবে সেটাও বুঝছিনা।

মানবজাতি আজ কত অসহায়।পৃথিবী আজ কোথায় চলে গেসে।ভাবতে পারছিনা। কতো অগ্রসর বিজ্ঞান প্রযুক্তি। কোথায় গেলো আজ!

একটা ভাইরাস লণ্ডভণ্ড করে দিচ্ছে মানব জাতি সহ পুরো বিশ্বকে।এসব নিয়ে আমরা যারা নৃত্যশিল্পী বা যাদের পেশা নাচ গান অভিনয় নিয়ে তাদের উপর যে কতটা প্রভাব ফেলছে তা আসলে আমরা ছাড়া কেউ আসলে বুঝতে পারবেনা।

এমন অনেক পরিবার আছে যাদের এই পেশায় পুরো পরিবার চলে।কিন্তু এখন এই পরিস্থিতিতে তারা পুরপুরি অচল হয়ে গেসে।খুবই ভয়াবহ অবস্থা।কেউ সংসার চালাতে পারছে না।

আবার কেউ হাত ও পাততে পারছে না।আমাকে সাহায্য কর এটাও বলতে পারছে না।এসব নিয়ে যদি আমরা না ভাবি তাহলে তাদের কি হবে? এই অঙ্গনের কি হবে?

আমাদের এই অঙ্গনের সচ্ছল শিল্পী ও সরকারের বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন।অসচ্ছল শিল্পীদের তালিকা করে তাদের পাশে দাড়ানো প্রয়োজন। আজ সময় এসেছে একে অন্যের পাশে দাড়ানোর,মানবিকতার হাত বাড়ানোর। একে অন্যের হাত ধরে বেচেঁ থাকার।