ঢাকা শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর ২০২০, ১২ই আশ্বিন ১৪২৭


জাতির পিতাকে অবমাননা, ঢাবি অধ্যাপক মোর্শেদকে অব্যাহতি


৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:৫৮

আপডেট:
৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ২৩:৫৮

সংগৃহিত

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অবমাননা করায় চাকরি থেকে অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানকে অব্যাহতি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের নিয়মিত সভায় মার্কেটিং বিভাগের এই অধ্যাপককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে বুধবার বিকালে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সিনেটের নিয়মিত সভায় প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল, অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, শামসুজ্জামান খান, বাহারুল মজনুন চুন্নু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


সিন্ডিকেট সভা সূত্রে জানা গেছে, বঙ্গবন্ধু ও সংবিধান অবমাননার অভিযোগে অভিযুক্ত অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এছাড়া সভায় ঢাবি দুই প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ (প্রশাসন) ও অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামালের (শিক্ষা) মধ্যে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সামাদ অগ্রাধিকার পাবেন বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ঢাবি শিক্ষার্থীরা যাতে অনলাইনে ক্লাসগুলোতে কানেক্ট হতে পারে সেজন্য বিভাগ ও ইনস্টিটিউট থেকে সব ধরনের সহায়তা প্রদানের আহ্বান জানানো হয় সভায়। তবে সভায় ক্যাম্পাস কবে নাগাদ খোলা হবে সে বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০১৮ সালের ২৬ মার্চ জাতীয় একটি দৈনিক পত্রিকায় ‘জ্যোতির্ময় জিয়া’ শিরোনামে একটি নিবন্ধ লেখেন অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খান। সেখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবমাননা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগ উঠে।

একই বছরের ২ এপ্রিল অধ্যাপক মোর্শেদ হাসান খানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক সব কার্যক্রম থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেয়। আর অভিযোগ তদন্তে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মদ সামাদকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

ওই কমিটির প্রতিবেদনে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার কথা বলা হলে মোর্শেদ হাসান খানের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়ে আইনি সুপারিশ করতে গত বছর ৩০ এপ্রিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে দায়িত্ব দেয় বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট। সেই সুপারিশের ভিত্তিতেই অধ্যাপক মোর্শেদকে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো।