ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ১৭ই অক্টোবর ২০১৯, ৩রা কার্তিক ১৪২৬


বশেমুরবিপ্রবি ভিসির বিরুদ্ধে নতুন দুর্নীতির অভিযোগ


২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১২:৩৯

আপডেট:
১৭ অক্টোবর ২০১৯ ১১:১৭

ফাইল ছবি

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিনের নিয়োগবাণিজ্য, ভর্তিবণিজ্যসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা লুটপাট, ভিসি কোটা চালু, নারী কেলেঙ্কারি ও নিজ বাসায় বিউটি পার্লার কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত অভিযোগ এনে এক দফা এক দাবিতে ভিসির পদত্যাগ চাইছেন শিক্ষার্থীরা।

এবার ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিনের নামে নতুন এক অভিযোগ পাওয়া গেল। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, খোন্দকার মাহমুদ পারভেজ নামে নিজের ভাইয়ের ছেলেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে নিয়োগ ও পদোন্নতি দিয়েছেন ভিসি নাসির। বশেমুরবিপ্রবির আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের বর্তমান চেয়ারম্যান খোন্দকার মাহমুদ পারভেজ, যিনি ভিসি নাসিরের ভাতিজা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন চলাকালীন মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় বেশি কিছু নথিপত্র। সেখানে দেখা গেছে, খোন্দকার মাহমুদ পারভেজ ২০১৬ সালের ১১ মে বিশ্ববিদ্যালয়টির সেকশন অফিসার পদে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। এর পর যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পরের বছর জুলাই মাসে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রভাষক পদে নিয়োগ পান তিনি।

২০১৮ সালের ২২ জুলাই কর্তৃপক্ষ সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেয়। সেই বিজ্ঞপ্তির পর ২৮ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়টির রিজেন্ট বোর্ডের ২৫তম সভায় খোন্দকার মাহমুদ পারভেজকে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। এর পর তাকে বিভাগটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বও দেয়া হয়। যোগ্যতার দিক থেকেও অনেক পিছিয়ে তিনি। সেকশন অফিসার পদে নিয়োগের সময় তার স্নাতক ও স্নাতকোত্তরে ফল ছিল দ্বিতীয় শ্রেণি (৫০ শতাংশ ও ৪৮ শতাংশ)।

নথি অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মের তোয়াক্কা না করে ও যোগ্যতা ছাড়াই লাফিয়ে লাফিয়ে দুই বছরে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সর্বোচ্চ পদটি পেয়েছেন খ. মাহমুদ পারভেজ। আর এসবই তিনি পেরেছেন তার চাচা বিশ্ববিদ্যালয়টির ভিসি খোন্দকার নাসির উদ্দিনের ক্ষমতাবলে।

এ নিয়ে কথা বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস। তিনি বলেন, ‘হয়তো বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে খ. মাহমুদ পারভেজের গবেষণাপত্র প্রকাশের কোনো তথ্য থাকতে পারে। সেটি না থাকলে তো কেউ প্রভাষক থেকে সহকারী অধ্যাপক হতে পারেন না।’

তবে এ বিষয়ে খোন্দকার মাহমুদ পারভেজের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।